বিনামূল্যে আপডেটের জন্য সাবস্ক্রাইব করুন!

আমরা'স্প্যাম এর বিরুদ্দে অঙ্গীকারবদ্দ !

Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts
Showing posts with label সম্পাদকীয়. Show all posts

Wednesday, December 3, 2014

জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি) হারালে বা সংশোধন করতে চাইলে আপনার করণীয় কি?

বার দেখা হয়েছে

বর্তমানে আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে জাতীয় পরিচয় পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যেকোন সরকারী বেসরকারী কাজে এটির ব্যবহার হয়ে থাকে। কিন্তু যদি এটি হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায় অথবা সংশোধনের প্রয়োজন হয় তখন কি করবেন?
চলুন জেনে নিই সে সম্পর্কে আপনার করণীয় ও প্রতিকার বিষয়ে-
জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে দুঃশ্চিন্তা না করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পদক্ষেপ নিন তা নতুন করে তুলে নিতে। পুনরায় তোলার জন্য প্রকল্প পরিচালক, পিইআরপি, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় বরাবর আবেদন করতে হবে। আবেদন সরাসরি প্রকল্প অফিসে করা যাবে অথবা আপনার নির্দিষ্ট উপজেলা বা জেলা নির্বাচন কমিশন কর্মকর্তার কার্যালয়ে করা যাবে।
নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে বিনা মূল্যে পাওয়া আবেদন পত্র পূরণ করতে হবে। আবেদনপত্রে আপনার পূর্ণনাম, পরিচয়পত্রের নম্বর ১৩ অথবা ১২ সংখ্যায় ভোটার নম্বর উল্লেখ করতে হবে। যদি পরিচয়পত্র নম্বর না থাকে, তবে ভোটার নম্বর দিতে হবে। এই নম্বর পাওয়া যাবে জেলা বা উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে।
তবে পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে প্রথমে আপনাকে স্থানীয় বা নিকটবর্তী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। ডায়েরির কপি, পূরণকৃত আবেদনপত্র (নিজে স্বাক্ষরিত), যোগাযোগের ঠিকানা ও ফোন নম্বরসহ আবেদনপত্রটি সরাসরি প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় বা জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে জমা দিতে হবে। জমা দেওয়ার দিন সংশ্লিষ্ট কার্যালয় থেকে প্রাপ্তি রসিদ (হারানো) দেবে এবং ওই রসিদ নিয়ে নির্ধারিত তারিখে আপনি আপনার পরিচয়পত্র হাতে পাবেন।
সাধারণত আবেদনের ৩৯ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়। তাই এই দিনের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পরিচয় পত্র সংগ্রহ করে নিবেন। কোন দালালের ফাঁদে পা দিবেন না।
সংশোধন করবেন কীভাবে : সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্রে দুই ধরনের ভুল থাকতে পারে। ছাপা-সংক্রান্ত ভুল ও তথ্যের পরিবর্তন। ছাপা সংক্রান্ত ভুলগুলো খুব সহজভাবেই সমাধান করা যায়। এ জন্য আবেদন করতে হয় প্রকল্প পরিচালক বরাবর।
নির্ধারিত আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন অফিসে পাওয়া যায়। সংগৃহীত আবেদনপত্রটিতে পরিচয়পত্র নম্বর, ভুল তথ্য ও সংশোধিত তথ্য উল্লেখ করার জন্য নির্ধারিত ঘর রয়েছে। আবেদনপত্রের নিচে স্বাক্ষর, নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখতে হবে। আবেদনপত্রের আগের ভুল তথ্যসংবলিত ভোটার পরিচয়পত্রটি সংযুক্ত করে দিতে হবে। কারণ কমিশন আপনাকে নতুন করে পরিচয়পত্র প্রদান করবে। তথ্য পরিবর্তনের জন্য আপনাকে আবেদনপত্রের সঙ্গে সংশোধিত তথ্যের পক্ষে প্রামাণিক দলিল দিতে হবে।
তথ্য পরিবর্তন প্রক্রিয়া: 
১. জন্মতারিখ সংশোধন করতে চাইলে এসএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্রের সত্যায়িত কপি সঙ্গে জমা দিতে হবে। তবে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা যদি এসএসসির কম হয়, তবে পরিচয়পত্রের আগে ব্যবহূত কোনো প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। যেমন—পাসপোর্ট, জন্মনিবন্ধন সনদ, নিকাহনামা প্রভৃতি।
২. নাম সংশোধন করতে চাইলে তাকে কোর্টের মাধ্যমে নাম এফিডেভিট করত হবে এবং সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে পরিচয়পত্রে ব্যবহূত নাম, ঠিকানা ও প্রকৃত নাম উল্লেখ করতে হবে এবং এর সঙ্গে অন্যান্য কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
৩. যাঁরা বিয়ের পর বাবার নামের বদলে স্বামীর নাম লিখতে চান, তাঁদের আবেদনের সঙ্গে কাবিননামা ও স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হবে।
৪. স্বামীর নাম বাদ দিয়ে বাবার নাম বসাতে চাইলে প্রামাণিক দলিল হিসেবে তালাকনামা ও বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
৫. কারও পরিচয়পত্রে মায়ের নাম ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য মা ও বাবা উভয়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
৬. পরিচয়পত্র সংশোধনের আবেদন পাওয়ার ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সংশোধিত নতুন পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়। তবে সংশোধনের জন্য আবেদনের সঙ্গে দেওয়া প্রমাণপত্র যথাযথ না হলে সেগুলো তদন্ত করে সঠিক প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
এ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আপনার জেলা/উপজেলা নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে অথবা ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও জাতীয় পরিচয়পত্র সহায়তা প্রদান প্রকল্প, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, আগারগাঁও, ঢাকা। ফোন: ৮১৫০৮৪৬
বিবিধ সংশোধন জাতীয় পরিচয়পত্রে কোনো নামের আগে পদবি, উপাধি, খেতাব ইত্যাদি সংযুক্ত করা যাবে না। পিতা বা স্বামী বা মাতাকে মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত্যুর সনদ দাখিল করতে হবে। জীবিত পিতা বা স্বামী বা মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্রের কপি দাখিল করতে হবে।
নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই ১৮ বছর বা ততোধিক হতে হবে। এবং আপনার সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার লিষ্টে নাম উঠাতে হবে। তবে আপনি যেকোন সময় চাইলেই জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করাতে পারবেন না। সরকার নির্ধারিত সময়ে ভোটার তালিকা করার সময় আপনি এ সুযোগ পাবেন।
যদি আপনার শিক্ষার জন্য বিদেশ সফর, চিকিৎসার জন্য বিদেশ গমন বা কাজের জন্য বিদেশ যেতে হয় এবং প্রয়োজনীয় কাজের জন্য প্রয়েআাজন হয় যা আপনি প্রমান করতে পারেন তাহলে আপনাকে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে চিন্তা না করে, যত তাড়াতাড়ি নিকষ্টস্থ নির্বাচন কমিশনের অফিসে যোগাযোগ করে যথাযোগ্য ব্যবস্থা গ্রহন করুন।

Saturday, November 22, 2014

দেখুন বাংলাদেশের সকল OPPO স্মার্ট ফোন গুলোর ছবি, স্পেসিফিকেসন, প্রাইজ। সবকিছু এক পোস্টে মেগা টিউন l

বার দেখা হয়েছে

“OPPO” চীনের বহুল জনপ্রিয় মোবাইল ফোন কোম্পানি। এই কোম্পানিটি বাংলাদেশে তাদের ব্যাবসা নতুন ভাবে শুরু করেছে। ইতিমদ্ধেই কোম্পানিটি ইন্দোনেশিয়া, ইন্ডিয়া, নেপাল এবং চায়নায় যথেস্ট সুনাম অর্জন করেছে। OPPO-র নিজস্ব ফ্যাক্টরি চায়নায় অবস্থিত। আসুন তাহলে দেখে নেয়া যাক এই ব্রান্ডের যে সকল স্মার্ট ফোন গুলো বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে এবং সেগুলর দাম কত।
প্রথমেই দেখি Oppo Joy:
Network – 2G, 3G
OS – Android OS v4.2 (ColorOS)
CPU – Dual-core, 1.3 GHz
Display Resolution – 480 x 800 px
RAM – 512 GB
Display – 4 inches
Camera – 3 Megapixel, 0.3 Megapixel
Battery – Li-Ion 1700 mAh
Oppo Joy Price in Bangladesh: BDT 10,000
Oppo Neo 3:
Network – 2G, 3G
OS – Android OS, v4.2 (ColorOS)
CPU – Dual-core, 1.3 GHz
Display Resolution – 480 x 854 px
RAM – 1 GB
Display – 4.5 inches
Camera – 5 Megapixel, 2 Megapixel
Battery – Li-Ion 1900 mAh
Oppo Neo 3 Price in Bangladesh: BDT 14,800
Oppo Yoyo: 
yoyo_5
Network – 2G, 3G
OS – Android OS v4.2.2
CPU – 1.3 GHz Quad Core
Display Resolution – 960 x 540 qHD
RAM – 1 GB
Display – 4.7 inches IPS Display
Camera – 5MP+2MP
Battery – Li-Ion 1900 mAh
Oppo Yoyo Price in Bangladesh: BDT 19,000
Oppo R1k: 
p_r1k_3
Network – 2G, 3G
OS – Android OS, v4.3 (ColorOS)
CPU – 1.6 GHz Quad Core
Display Resolution – HD, 1280 × 720 pixels, ~294 ppi
RAM – 1 GB
Display – 5.0 inches
Camera – 13 Megapixel, 5 Megapixel
Battery – Li-ion 2410 mAh
Oppo R1k Price in Bangladesh: BDT 32,000
Oppo N1 Mini:
product_n1mini_3
Network – 2G, 3G
OS – Android OS, v4.3 (Jelly Bean)
CPU – Quad-core 1.6 GHz Cortex-A7
Display Resolution – 720 x 1280 pixels, ~294 ppi
RAM – 2 GB
Display – 5.0 inches
Camera – 13 Megapixel, 13 Megapixel
Battery – Li-ion 2140 mAh
Oppo R1k Price in Bangladesh: BDT 36,000
Oppo Find 7a:
find 7a
Network – 2G, 3G
OS – Android OS, v4.3 (Jelly Bean)
CPU – Quad-core 2.3 GHz Krait 400
Display Resolution – 1080 x 1920 pixels, ~401 ppi
RAM – 2 GB
Display – 5.5 inches
Camera – 13 Megapixel, 5 Megapixel
Battery – Li-Po 2800 mAh
Oppo “Find 7a” Price in Bangladesh: BDT 41,000
Oppo Find 7: 
gal_7_5
Network – 2G, 3G, 4G
OS – Android OS, v4.3 (Jelly Bean)
CPU – Quad-core 2.3 GHz Krait 400
Display Resolution – 1440 x 2560 pixels, ~534 ppi
RAM – 3 GB
Display – 5.5 inches
Camera – 13 Megapixel, 5 Megapixel
Battery – Li-Po 3000 mAh
Oppo “Find 7″ Price in Bangladesh: BDT 49,990
###Price details found on mobiledokan.com###


Saturday, September 6, 2014

ইন্টারনেটের মাধ্যমে আয় করার সেরা পথগুলোর মধ্যে একটি সেরা পথ তুলে ধরলাম নতুনদের জন্য

বার দেখা হয়েছে

এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'টপটিউনার মাসুম রানা'
Sponsored টিউন by Techtunesu.Tk
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনেক ভাবে অর্থ উপার্জণ করা যায়। কেউ অন্য কাজের পাশাপাশি ইন্টারনেট থেকে অতিরিক্ত আয় করেন, কেউ একেই পেশা হিসেবে ব্যবহার করেন এবং অন্য পেশার থেকেও বেশি আয় করেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন থাকতে পারে আয়ের বিভিন্ন পথের মধ্যে কোনটি বেশি গ্রহণযোগ্য কিংবা লাভজনক।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করার জন্য গুগল এডসেন্স অত্যন্ত কার্যকর একটি পদ্ধতি। আপনি নিশ্চয়ই জানেন সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে গুগলের তুলনা নেই। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে তারা বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিস্ঠান। ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের একটি অংশ এডসেন্স। গুগল এডসেন্স নিয়ে ইতিপূর্বে অনেক লেখা ইতিমধ্য আছে. আমি আমার মত করে লিখলাম যাতে নতুনদের কাজে লাগে। যারা এডসেন্স ব্যবহার করেন তারা অনেকেই হয়তো ব্যাপারটা জানেন। তবুও শেয়ার করছি নতুনদের জন্য।
প্রথমেই প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, এডসেন্স কি ? এককথায় এডসেন্স হচ্ছে ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপন রাখার জন্য গুগলের একটি পদ্ধতি। আপনি বিভিন্ন ওয়েব সাইটে নিশ্চয়ই বিভিন্ন লিংক দেখেছেন যার পাশে Ads by Google লেখা। এগুলিই এডসেন্স বিজ্ঞাপন। আপনার ওয়েব সাইটে এই বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্য এডসেন্স এর রেজিষ্ট্রেশন করাই যথেষ্ট। এরপর ওয়েব পেজে কোন ভিজিটর যখন কোন লিংকে ক্লিক করবেন তখন সেই সাইটের মালিক হিসেবে আপনি টাকা পাবেন। প্রতি ক্লিকের জন্য কয়েক সেন্ট থেকে শুরু করে কয়েক ডলার পর্যন্ত। মাসে আয় হতে পারে কয়েকশ ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার। ফল পাওয়া যায় সাথে সাথে।
এডসেন্স কিভাবে কাজ করে জানার জন্য আরো কিছু বিষয়ে ধারনা থাকা প্রয়োজন। যেমন গুগল এডওয়ার্ডস। কোন কোম্পানী বা ব্যক্তি যদি গুগলকে ব্যবহার করে ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দিতে চান তাহলে তাকে বলতে হয়, আমি অমুক বিজ্ঞাপন অতদিনের জন্য দিতে চাই, প্রতি ক্লিকের জন্য অত পরিমান টাকা দেব। তাদের সাথে গুগলের চুক্তি এটুকুই। এটাই এডওয়ার্ডস।
ধরুন কোন কোম্পানী তার পন্যের বিজ্ঞাপনের জন্য গুগলের সাথে যোগাযোগ করল মাসে ১০ হাজার ডলারের। প্রতি ক্লিকে তারা ১ ডলারের বেশি দেবে না। গুগল তাদের বিজ্ঞাপনকে বিভিন্ন ওয়েব সাইটে পাঠিয়ে দেয়। আপনি এডসেন্সের সদস্য হলে আপনার ওয়েব সাইটেও সেটা পেতে পারেন। কেউ সেই লিংকে ক্লিক করলে আপনার একাউন্টে ১ ডলার হিসেব জমা হবে। আপনি যে কোন সময় আপনার হিসেব জানার সুযোগ পাবেন। মাসে একবার যদি বিল করতে চান তাহলে বিল করলে আপনার ঠিকানায় চেক পাঠাবে গুগল।
এখানে লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে, যে কোম্পানীর এডসেন্স বিজ্ঞাপন সে জানে না তার বিজ্ঞাপন কোথায় দেখা যাবে। আপনিও কখনো নিশ্চিত হওয়ার সুযোগ পাবেন না ঠিক কোন বিজ্ঞাপন আপনার সাইটে পাবেন। যেহেতু বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের জন্য মুল্য বিভিন্ন রকম, আপনার ওয়েব সাইটে প্রতি ক্লিকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন অর্থ পেতে পারেন। আপনার রিপোর্ট দেখে জানতে পারেন কোন ক্লিকের জন্য কত জমা হয়েছে। অভিজ্ঞতা বাড়লে কম টাকার ক্লিকের থেকে বেশি টাকার ক্লিকের বিজ্ঞাপনে বাছাইএর ব্যবস্থা করা যায়। তবে আগেই জানিয়ে রাখা ভাল, প্রতি ক্লিকে বেশি টাকা হলেই আপনি বেশি টাকা পাবেন এমন নিশ্চয়তা নেই। ভিজিটর যদি বেশি টাকার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার চেয়ে কম টাকার লিংকে নিয়মিত ক্লিক করে তাহলে আপনার আয়ের সম্ভাবনা বেশি। মুল বিষয় হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইটে ভিজিটর যত বেশি, ক্লিক করার সম্ভাবনা তত বেশি এবং আয় তত বেশি।
কাজটি কিভাবে করা সম্ভব দেখা যাক। আপনার একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে। এখনও যদি না থাকে তাহলেও এই মুহুর্তেই সেটা শুরু করতে পারেন।
১. Blogger.com সাইটে গিয়ে একটি ব্লগ তৈরী করুন। কয়েকটি ক্লিক করাই যথেষ্ট। এজন্য আপনার একটি ইমেইল এড্রেস প্রয়োজন হবে।
২. পছন্দমত টেম্পলেট বাছাই করুন। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে নানা ধরনের ব্লগার টেম্পলেট পাওয়া যায়। পছন্দমত কোন একটি ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারেন। শুরুতেইকরতে হবে এমন কথা নেই, যে কোন সময় টেম্পলেট পরিবর্তন করে ওয়েব সাইটের সৌন্দর্য বাড়ানো যাবে।
৩. ব্লগ টিউন লিখতে শুরু করুন। কি নিয়ে লিখবেন ? আপনার যা ইচ্ছে। যদি গেমখেলতে ভালবাসেন গেমের রিভিউ লিখুন, মুভি দেখলে মুভির রিভিউ-খবর ইত্যাদি লিখুন। চারিদিকে লেখার মত বিষয়ের অভাব নেই।
৪. এডসেন্স একাউন্ট খুলুন। ব্লগার সাইটে এজন্য লিংক পাবেন। এখানে আপনার সাইটের ঠিকানা এবং পরিচিতি, আপনার ঠিকানা এসব তথ্য দিয়ে ফরম পুরন করতে হবে। এই ঠিকানায় আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। আপনার সাইটে কোথায়, কোন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখা যাবে সেটা সিলেক্ট করলে তারাই বলে দেবে কিভাবে সেটা করতে হবে।
৫. বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে আপনার ব্লগের পরিচিতি লিখে দিন। ফলে সার্চ করে আপনার ব্লগ পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েব সাইটে, সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে প্রচার বাড়ান।
অল্প কথায় কাজ এই টুকুই। এরপর একটু একটু করে আরো জানতে চেষ্টা করুন কিভাবে সাইটকে আরো উন্নত করা যায়, কিভাবে ভিজিটর বাড়ানো যায়, বিজ্ঞাপন কিভাবে রাখলে বেশি আয় করা যায়।
এখানে কিছু সাধারন তথ্য উল্লেখ করা হচ্ছে:
১. ক্লিক করলেই আয় হয় একথা ভেবে নিজেই বারবার ক্লিক করবেন না। গুগল খুব সহজেই আপনার ক্লিক এবং ভিজিটরের ক্লিক চিনতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে।
২. বেশি ভিজিটর পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পদ্ধতি ভাল ওয়েবসাইট তৈরী। অন্যভাবে, ভিজিটরের আগ্রহ থাকে এমন বিষয় রাখা। ভুলে যাবেন না গুগল মুলত সার্চ ইঞ্জিন। কোন ওয়েব সাইট সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ বেশি, কোথায় কত ভিজিটর যায়, কতক্ষন থাকে, কি করে এসব তথ্য তাদের চেয়ে ভাল অন্য কেউ জানে না। তাদের ঠকাতে চেষ্টা করবেন না। সাইটের প্রচার এবং মুল সাইটের বিষয়ের মধ্যে গড়মিল করবেন না।
৩. আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন পাবেন সাইটের বিষয়ের সাথে মিল রেখে। যেমন বইয়ের সাইট হলে বিভিন্ন প্রকাশক, বই বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন, ফটোগ্রাফি সাইট হলে ক্যামেরা, নির্মাতা বা বিক্রেতার বিজ্ঞাপন ইত্যাদি। এডসেন্সে সাধারনভাবে মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন এবং আপনার সাইটেও সে সম্পর্কিত তথ্য রাখুন।
৪. বিনে টাকায় শুরু করার জন্য গুগলের ব্লগার অবশ্যই ভাল যায়গা। আপনার কোন খরচই নেই। তাহলেও দীর্ঘ্যস্থায়ী সাইটের জন্য নিজস্ব ডোমেইন নেম, নিজস্ব হোষ্ট থাকাই ভাল। সেক্ষেত্রে ব্লগার ছাড়াও ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি ব্যবহার করা যেতেপারে। ব্লগার সহজ, কিন্তু ব্লগারের তুলনায় এগুলিতে কাষ্টমাইজ করার সুবিধে অনেকবেশি।
জানার জন্য এটুকু উল্লেখ করা যায়, ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগ তৈরী করতে খরচ নেই কিন্তু সেখানে গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। আর জুমলায় ফ্রি হোষ্টিং এর ব্যবস্থা নেই। ব্লাগার ছাড়াও আরো কিছু সাইট ফ্রি হোষ্টিং এর সুবিধে দেয়। এদেরমধ্যে Tumblr এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
৫. সাধারনত বিজ্ঞাপন দেয়া হয় বিক্রির জন্য (পন্য অথবা সেবা)। ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে অনলাইন লেনদেন এর সম্ভাবনা বেশি। অথচ বাংলাদেশে অনলাইনে কেনা কাটার ব্যবস্থা নেই। অন্যভাবে বললে, বাংলাদেশ থেকে কেউ কিছু কেনার জন্য সাধারনত বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে না। কাজেই বাংলায় ওয়েবসাইট তৈরী করলে এমনিতেই ক্লিকের সম্ভাবনা কমে যায়। যদি সম্ভব হয় সারা বিশ্বের জন্য ইংরেজিতেওয়েবসাইট তৈরী করুন।
নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে হচ্ছে, নিজের খরচ চলার মত আয় পেতে কতটা সময় লাগতেপারে ?
খুবই গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন। এতে এমন জাদুকরী কিছু নেই যে রাতারাতি আপনি হাজার ডলার আয় করবেন। হাজার ডলার আয়ের জন্য অন্তত দুই তিন বছর ক্রমাগত চেষ্টা করে ওয়েব সাইট উন্নত করার চেষ্টা করতে হতে পারে। এটুকু বলা যায়, এক সময় ফল পাওয়া যাবেই। কাজেই দেরী না করে শুরু করাই উত্তম। এখনও যাকিছু শিখতে বাকি আছে সেগুলি ক্রমে শিখে নেয়া যাবে। উন্নত মানের ওয়েব সাইট তৈরী, ওয়েব সাইটের প্রচার বাড়ানো, সার্চ ইঞ্জিন যেন সহজে খুজে পায় সে ব্যবস্থা করা (সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও), এডসেন্স বাছাই করা, নির্দিষ্ট এডসেন্স ব্লক করা, এডসেন্স ছাড়াও আয়ের অন্যান্য পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়ে আগামীতে আলোচনা করব  ইনশাআল্লাহ্‌।
এটি একটি Sponsored টিউন। এই Sponsored টিউনটির নিবেদন করছে 'টপটিউনার মাসুম রানা'
Sponsored টিউন by Techtunesu.Tk